ঢাকা
১৮ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৪ঠা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সাংবাদিক রোজিনার নিঃশর্ত মুক্তি চায় প্রথম আলো

ঢাকা: সচিবালয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আনিসুল হক। তিনি বলেন, রোজিনা ইসলাম একজন অনুসন্ধানী সাংবাদিক।

তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালনে সচিবালয় গিয়ে হেনস্তার শিকার হয়েছেন। আমরা আইনগতভাবে তার জামিনের আবেদন করেছি। এখানে যে আমরা দাঁড়িয়েছি এর মাধ্যমে আমরা চাই রোজিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি প্রত্যাহার করা হোক এবং তাকে নিঃশর্তভাবে মুক্তি দেওয়া হোক।
মঙ্গলবার (১৮ মে) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে দৈনিক প্রথম আলোর অফিসের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তাকারীদের বিচার এবং তার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে প্রথম আলোর সব বিভাগের সাংবাদিক ও কর্মীসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধনে আনিসুল হক বলেন, বাংলাদেশের সব সাংবাদিক ও মানুষরা রোজিনা ইসলামের ন্যায় বিচার ও তার বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলার প্রত্যাহার চায়। তাকে যে পাঁচ ঘণ্টা আটকিয়ে রেখে হেনস্তা করা হয়েছে তাতে সরকারের ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল করে নি। আজকে সারা বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে, যে এই দেশটি সাংবাদিকদের নিপিড়ন করা একটি দেশ। যারা সাংবাদিকদের অধিকার ক্ষুণ্ন করে এমন একটি দেশ বাংলাদেশ। আসলে আমরা এমন একটি দেশ চাই না। সাংবাদিকদের স্বাধীনতা শুধু সাংবাদিকদের জন্য নয়, এটা সরকার দেশ ও মানুষের জন্য দরকার।

মানববন্ধনে উপস্থিত থাকা বাংলা টিভির হেড অব নিউজ দীপ আজাদ বলেন, পেশাদার সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তি চাই। সেই সঙ্গে তাকে হেনস্তাকারী, নির্যাতনকারী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের তদন্তপূর্বক কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

তিনি বলনে, আমাদের দাবি হচ্ছে স্বাধীন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে যেগুলো অন্তরায়, যেগুলো পরিপন্থি, যেগুলো মুক্ত গণমাধ্যমের বিরোধী সেগুলোকে অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। আমরা মনে করি এই মুহূর্তে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায়, সেই সময় দুর্নীতিবাজ আমলাদের দুর্নীতি ঢাকার জন্য তাদের যে আক্রোস, তাদের যে প্রচেষ্টা সেগুলো বন্ধ করার এই একটাই উপায়। সমস্ত আইনে তাদের হেফাজত করা হচ্ছে। আর গণমাধ্যম, সাংবাদিকদের কিভাবে আটকানো যায় সেজন্য তারা আইন করছেন। আর এই আইন রাজনীতিবিদ বা জনপ্রতিনিধিরা আইন করছেন না। যারা আইন করছেন তারা কিন্তু সব সরকারের আমলেই আছেন। এতে তাদের সুবিধা সমসময় হাসিল হচ্ছেই।

তিনি বলেন, আমি মনে করি, সরকারকে বিভ্রান্ত করে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের দোহাই দিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা রোজিনাকে হেনস্তা করেছে এবং তারা দু’টি ধারায় একটি মামলা দিয়ে আটক করে কারাগারে পাঠিয়েছে।

আমরা মনে করি শুধু রোজিনা ইসলাম আজ কারাগারে নয়, সমগ্র গণমাধ্যম কারাগারে।

আরও পড়ুন

রাজশাহীতে করোনায় ১২ জনের মৃত্যু
যেমন কাটবে শুক্রবার দিনটি
তিন বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
জুমার দিনের আমল ও মর্যাদা
ভারত-নেপাল-ভুটান রেল সংযোগে ব্যয় দ্বিগুণ হচ্ছে
৭ হাজার গার্মেন্টস শ্রমিককে ৯৩ কোটি টাকা সহায়তা
খুলনা-বরিশাল-চট্টগ্রামে ভারী বর্ষণের আভাস
টিকার অগ্রাধিকার তালিকায় বিদেশগামী কর্মীরা